Sunday, December 23, 2012

খোলসরে ভতরে বসবাস

পুরবী সম্মানতি : দুঃসপ্নের মাঝে রাতের আঁধার কাটে, দিনের আলোতে রাতের সেই অবসাদ দুর হয় । নিজেকে কোনমতে একটু গুছিয়ে নিয়ে কাজে বেরুতে হবে এখন। শরীরটা আর ব্যস্ততা মানতে চায়না, অলস হতে চায় । মনরে ক্লান্তি শরীররে উপর  ভর করছে ক্রমশ।         
নিজেকে একটা দ্বীপের ভেতর মনে হয় । কুলের শিশুরা,

Saturday, November 24, 2012

নীড় হারা দোয়েল


---আবুল কাইয়ুম আহম্মদ
পাখিটাকে মেরে ফেলা হয়েছে। কেন ? কারণ পাখিটা অসাধারণ এক বুলি শিখেছিল। ওই অসাধারণ বুলি চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে সূবর্ণগ্রামের ইমারতগুলো ভেঙ্গে ভেঙ্গে ভয়ংকর শব্দে কেঁপে উঠে হিংস্র পশুগুলো মারা যেত। তাই পাখিটাকে বিষপানে বাধ্য করা হয়েছে।
পাখিটার নাম দোয়েল। সুবর্ণ গ্রামের জির্ণন অরণ্যে বৈকালিক তন্দ্রায় সে গান গাইতো মিহি সুরে। পাখিটার সুর সবাইকে আলোড়িত করত। দোয়েল ছিল লজ্জাশিলা এবং দারুণ বিনয়ী। তার মায়াবী বর্ণচ্ছটায় ভেসে উঠতো আধাঁরের নিরালায় কোমন শাখা ভরা অসংখ্য পুষ্পকলি। সে জন্যে প্রকৃতির

Thursday, September 27, 2012

বৃষ্টি ভেজা চোখ

আবুল কাইয়ূম আহম্মদ : আব্বুর বন্ধু সাইকি বিশেষজ্ঞ ডাঃ মনোয়ার পাশা আজ আমাদের  বাসায় এসেছেন। আংকেলের সাথে কথাবার্তার সময় আব্বু দেয়ালে টাঙ্গানো স্থির  শান্ত মায়াবী ফ্রেমে বাঁধানো ফটোটি দেখিয়ে বললেন, এটা আমার মৃত মেয়ে বৃষ্টির ছবি। সে তিন বছর পূর্বে ঐ দিনে নৌকা-ডুবিতে মারা গেছে। এ কথায় আব্বুর গলা একটুও কাঁপলনা। বুক চিরে বের হলোনা কোন দীর্ঘশ্বাস। নিজের কন্ঠস্বরে আব্বু নিজেই চমকে উঠেন। আংকেল বৃষ্টি সম্পর্কে সামান্যই জানতেন। আজ বৃষ্টির তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। বিস্তারিত জানতেই তিনি সময় নিয়ে এসেছেন। আব্বু আমার দিকে তাকিয়ে বললেন,- ডক্টর পাশা আমার ছেলে নির্ঝরই সব বলতে পারবে? তুমি তো তিন বছর ধরে আসবে আসবে বলে আসছো না। তুমি সাইকি বিশেষজ্ঞ; সময়ও তো নির্ধারণ করা তোমার জন্য বিরাট ব্যাপার-ওই বলে আব্বু ভিতরের রুমে চলে

Monday, August 20, 2012

এফ গ্রেডের জুলহাস

চারবার ‘এফ’ গ্রেডের পর বৃদ্ধা দাদী বললেন- ওলি ললিরে কলবাদুরের ছাও। পাইল্যা লইল্যা ডাংগর করলাম ফঁড়িং ধইরা খাও..........
স্ত্রী পারুল বিয়ের পর থেকে ‘এফ’ গ্রেড নিয়ে সুযোগ পেলেই খোঁচা দিতো জুলহাস কে। দাদীর যন্ত্রনায় পারুল কে বিয়ে করা। মেট্রিক পাশ, পরীর মত সুন্দর, এমন মেয়ে পাওয়া ভাগ্যের। এতিম জুলহাসের চাচারা কক্ষচ্যুত গ্রহ। স্ব-স্ব জগতে ব্যস্ত।
বাইক চালিয়ে ভালই আসে। সভা, বিয়ে, খেলা, মেলা, বেড়ানো-লেগেই আছে। ‘অনটেস্ট’ নেইমপ্লেট

পাহাড়ে পাহাড়ে টক্কর

কোন কোন বাড়ীর একটা বিশেষ নামে এলাকা ছেড়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পরিচিতি লাভ করে। তখন যদি কেউ প্রশ্ন করে বাড়ী কোথায়?
উত্তর                  :  রহিমপুর।
পাল্টা প্রশ্ন            :  রহিমপুর কোন বাড়ী?
উত্তর                  : রহিমপুরে ডাকাতবাড়ী।
উত্তরটা শুনে একটু চোখ বড় বড় তাকান প্রশ্নকারী। একটু ঢোগ গিলেন।